About Palak

Zunaid Ahmed Palak was born on 17 May 1980 in Singra upazila under Natore dristrict. Late Faiz Uddin Ahmed and Ms. Zamila Ahmed are his parents. His father was an active political activist being inspired by the ideology of Banga Bandhou Sheikh Mujibur Rahman. Being a General Secretary of the Singra upazila unit of Bangladesh Awami League, he played an important role as one of the organizers of the..

Full Biography

Latest Update

ACHIEVEMENTS

World Economic Forum Young Global Leader Details
Youngest Minister State Minister of ICT Ministry Details
Live Blood Bank World first live online blood bank Details

Inovation

Live Blood Bank
Live Blood Bank

Here is some more information about this product that is only revealed once clicked on.

Crowd Source
Crowd Source

Here is some more information about this product that is only revealed once clicked on.

POLITICAL RESUME

World Economic Forum

Young Global Leader

2016 to present Cologny

ICT Division, Bangladesh

Ministry of Post, Telecommunication & Information Technology

State Minister January 2014 to present Dhaka, Bangladesh

Supreme Court of Bangladesh

Advocate

2010 to Present Dhaka, Bangladesh

Government of the People's Republic of Bangladesh

Member of Parliament

January 2009 to Present Dhaka, Bangladesh

100000

Facebook Followers

50000

Twitter Followers

35000

Google-plus Followers

20000

Linkedin Followers

EDUCATION

MSS in Political Science

Dhaka College - 2001

Bachelor of LAW

National University of Bangladesh - 2003

Capstone Course

National Defence College of Bangladesh - 2012

Gallery

From the Blog

blog post thumbnail

Cox's Bazar airport to receive Boeing 737-800 with prime minister as first traveller

Prime Minister Sheikh Hasina is travelling to Cox's Bazar on Saturday, opening the airport tarmac for the large aircraft landing service in the tourism hotspot.

According to the press wing at the Prime Minister's Office, a 162-seat Boeing 737-800 of Biman Bangladesh Airlines will carry Hasina to Cox's Bazar at 9:45am. She will then inaugurate the Biman service on the extended runway for Cox's Bazar Airport. She will also inaugurate a marine drive from Cox's Bazar to Teknaf, Cox's Bazar Medical College, and lay foundation stone of two liquefied natural gas (LNG) terminals, and several other projects. The British era airport in Cox's Bazar is being used domestically. Only Dash-Q400 aircraft with 74 seats and smaller planes could use the airport until now. The government has been developing the airport to an international standard as part of modernisation of Cox's Bazar as a tourism city and Moheshkhali as an investment hub. The airport's Manager Sadhan Kumar Mohanta said the development work of the airport was scheduled to end within June next year. "Large aircraft like Boeing 747 or 777 will be able to land here," he said. Biman spokesperson Shakil Meraj told bdnews24.com that the prime minister's travel to Cox's Bazar by the Boeing 737-800 is a 'milestone' in Bangladesh's history of aviation. He said the national flag carrier would operate one flight with an aircraft of this model every week. It would increase the number of flights in the future. Marine drive After the programme at the airport, the prime minister will visit Inani, where she will inaugurate the 80 kilometres long marine drive linking Cox's Bazar and Teknaf. The marine drive, which uniquely juxtapose with the world's longest beach at one side and hills on the other, is expected to attract more tourists. Bangladesh Army has built the drive in three phases with more than Tk 10 billion. After inaugurating the drive, the prime minister will take part in a rally organised by the ruling Awami League at Sheikh Kamal International Cricket Stadium in the afternoon. She will also inaugurate and lay foundation stones of a number of projects in the district.‎ The projects she is inaugurating include Cox's Bazar Medical College, a hostel of Cox's Bazar Government Women's College and Cox's Bazar Government College each, a complex of Cox's Bazar Government College, a complex of Bangamata Fazilatunnesa Mujib Women's College and Moheshkhali-Anwara gas line. She will lay foundation stones of Cox's Bazar Airport Development Project (first phase), Cox's Bazar Medical College Hospital, Cox's Bazar IT Park, two floating LNG terminals in Moheshkhali, Naaf Tourism Park, and several other projects.

0 Comments
blog post thumbnail

তরুণরা আর খবরের কাগজ পড়েই না: জয়

“শুধু মানুষের কাছে শুনে না, আমরা জরিপ করে দেখেছি যে আমাদের তরুণরা কিন্তু আর খবরের কাগজ পড়েই না। এটা একদিক দিয়ে আমাদের জন্য ভালো, কারণ খবরের কাগজে শুধু আমাদের সুশীল বাবুদের মতামতই দেখা যায়। লাকিলি তরুণরা ওগুলো পাত্তা দেয় না,” বলেন জয়। রোববার ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংসদ সদস্যদের ভূমিকা’ শীর্ষক এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। ‘সরকারবিরোধী অপপ্রচারের’ জবাব দিতে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রীর ছেলে জয়। তিনি বলেন, “ডিজিটাল বাংলাদেশ আজকে আমরা বাস্তবায়ন করে ফেলেছি। এটা আমার স্বপ্ন ছিল… । ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ায় সাফল্য অর্জন করায় আমাদের দেশের প্রায় ছয় কোটি মানুষ এখন ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। আজকে ফেইসবুকে সবচেয়ে বেশি সংখ্যা বাড়ছে বাংলাদেশে। এটা ফেইসবুক নিজেই বলে।” জয় বলেন, বয়োজ্যোষ্ঠদের তুলনায় তরুণরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহারে এগিয়ে আছে। “সোশাল মিডিয়া, জানি এই শব্দ শুনলে অনেকে হয়তো একটু ভয় পান, যারা সিনিয়র। যারা জুনিয়র- আপনারা এটাতে অভ্যস্ত। আমার চেয়েও বেশি ওস্তাদ।” এ সময় তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের দিকে ইংগিত করে হাসতে হাসতে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, “পলকের সাথে তো পারিই না। দিনে যে পরিমাণ ফেইসবুক পোস্ট দেয়, ওর সাথে কেউ কুলিয়ে পারে না।” তরুণদের সাম্প্রতিক প্রবণতা তুলে ধরে তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ জয় বলেন, “তরুণরা টেলিভিশন দেখে। তবে সবচেয়ে বেশি খবর তারা পায় সোশাল মিডিয়া থেকে। সোশাল মিডিয়াতেই তারা বেশি অংশগ্রহণ করে। সেজন্যই সোশাল মিডিয়াটা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্যদের দিনে অন্তত দুই-তিনটি পোস্ট দেওয়ার আহ্বান জানান জয়। যারা সোশাল মিডিয়া ব্যবহারে স্বচ্ছন্দ নন, তাদের প্রয়োজনে পিএস এর মাধ্যমে কাজটি করানোর পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, “দেশের জন্য তো কাজ করছি, আর সোশাল মিডিয়াতে যদি প্রচারের কাজটা চলমান রাখি তাহলে শুধু আজকের ভোটার না, ভবিষ্যতের তরুণ ভোটাররাও আওয়ামী লীগ হয়ে থাকবে।” Source: http://m.bdnews24.com/bn/detail/bangladesh/1331194

0 Comments
blog post thumbnail

‘অপপ্রচারের’ জবাবে সোশাল মিডিয়ায় উন্নয়নের প্রচার চান জয়

রোববার ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংসদ সদস্যদের ভূমিকা’ শীর্ষক এক কর্মশালায় তিনি এ আহ্বান জানান। জয় বলেন, “আমাদের একটা ধারণা ছিল, কাজ করলেই মানুষ ভোট দিবে। কিন্তু বাস্তব কথা হচ্ছে, আজকাল হচ্ছে প্রচারের যুগ।” প্রতিদিন সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে পোস্ট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “পারলে রোজ একটা করে পোস্ট দেবেন। দিনে দুই তিনটা করেও দিতে পারেন। আমরা যেগুলো পোস্ট দেব, সেগুলো শেয়ার করেন। এগুলা কিন্তু ভাইরাল হয়ে যায়।” প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা বলেন, “জানি, টেকনোলজি ব্যবহার করাটা অনেকের জন্য মাঝেমধ্যে একটু কঠিন হয়, আপনারা চেষ্টা করবেন, আপনাদের যতটুকু সম্ভব আমরা সহযোগিতা করব। “আর আপনারা যদি কমফোর্টেবল ফিল না করেন, যদি তাও সাহস না পান, আমি অনুরোধ করব, একজন পিএস দিয়ে দেন, যার কাজ থাকবে সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট দেওয়া।” জয় বলেন, অ্যাকাউন্ট কীভাবে ভেরিফায়েড করাতে হয় তা এমপিদের শিখিয়ে দেওয়া হবে। তখন ওই অ্যাকাউন্ট তাদের অফিশিয়াল অ্যাকাউন্ট হয়ে যাবে। “মানুষের কাছে আমাদের যা বলার, আমাদের পরিশ্রম, এবং আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের মোকাবেলা, এটা আমরা আরও বেশি মানুষের কাছে, আরও বেশি তরুণদের কাছে পৌঁছে দিতে পারব এভাবে।” কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত তিন দিনের ওই কর্মশালার উদ্বোধন করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। অন্যদের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। পঁচাত্তরের পর থেকে ধারাবাহিকভাবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে মন্তব্য করে বঙ্গবন্ধু দৌহিত্র জয় বলেন, ‘এত কাজ’ করার পরও সরকারকে ‘অপপ্রচার সহ্য করতে’ হয়। “আমারা দেখলাম ১/১১ এর সময় আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে একটা প্রচার চালিয়ে গেছে। দুর্নীতি করেছে বিএনপি, সন্ত্রাস করেছে জামাত, তারপরেও বিরোধী দল, বিরোধী দল করে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে প্রচার চালিয়ে গেছে।” বিনামূল্যে মাধ্যমিকের পাঠ্যপুস্তক বিতরণ থেকে শুরু করে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রকল্প পদ্মা সেতুর কাজ শুরুর কথা তুলে ধরে জয় বলেন, “তার পরও ব্যর্থ হয়েছে ব্যর্থ হয়েছে প্রচার আর অপপ্রচার।” দলীয় সাংসদদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য-প্রযুক্তি উপদেষ্টা বলেন, “তো শুধু কাজ করলে হবে না। মানুষকে জানিয়ে দিতে হবে আমরা কি করছি। আওয়ামী লীগ কি করছে।” অপপ্রচারের বিরুদ্ধে পাল্টা অস্ত্র হিসাবে উন্নয়নের প্রচারের গুরুত্ব তুলে ধরতে গিয়ে জয় বলেন, “বিদ্যুৎকেন্দ্র নিজে নিজে হয় না। পদ্মা সেতু নিজে নিজে বানাচ্ছে না। এই কাজগুলোর জন্য আওয়ামী লীগ সরকারই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা এটার টাকা যোগাড় করেছি। আওয়ামী লীগ দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছে এটা বাস্তবায়ন করার জন্য।” Source: http://m.bdnews24.com/bn/detail/politics/1331061

1 Comments